।।।।যশোরাঞ্চলের সড়ক-মহাসড়কগুলো জন্য চরম ভোগান্তিতে মানুষ,।।।।

0
124

মীর ফারুক শার্শা(যশোর)প্রতিনিধি :দেশের অর্থনীতি উন্নয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার উপড় অনেকাংশে নির্ভরশীল,উন্নত যোগাযোগ এর মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনীতি চালিকাশক্তি গড়ে ওঠে,আর যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রধান শর্ত হলো উন্নত ও সাবলিল সড়ক,

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলেরর জেলা যশোর, ২০১১ আদমশুমারী অনুযায়ী যশোরে মোট জনসংখ্যা ২৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫শত ৪৭ জনের বসবাস, যশোর জেলায় পাকা,আধা পাকা,কাচা রাস্তা দিয়ে মোট সড়কের পরিমাণ ৬ হাজার ৫শত ৯৭ কিঃমি,এর মধ্য পাকা সড়ক ১হাজার ৫৯ কিঃমি,কাচা সড়ক ৫ হাজার ৯৭ কিঃমি,আধা পাকা সড়ক ৪শত ৪১ কিঃমি,

যশোরাঞ্চলের ৭০% সড়ক মহাসড়ক যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক,যশোর- লালনশাহ সেতু মহাসড়ক,যশোর- সিমাখালী মহাসড়ক,যশোর-নোয়াপাড়া মহাসড়কের সাথে সাথে যশোরের বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কগুলোর দীর্ঘদিন সংস্কার এর অভাবে যানবাহন চলাচলে সর্ম্পণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, অধিকাংশ সড়ক মহাসড়ক আঞ্চলিক সড়কগুলো পিচের কার্পেটিং উঠে ইদের সলিং বেড়িয়ে ছোট বড় খানা খন্দের ও ধুলাবালিতে পরিপুর্ণ,ধুলা বালিতে সড়কে মানুষে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে,ধুলাবালি জন্য এই অঞ্চচলে বসবাসকারী মানুষজন নানা রকম শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত সমস্যা ভুগছেন,

যশোরাঞ্চলের সড়কগুলোর চরম বেহাল দশার ফলে প্রতিদিন ছোট বড় দুর্ঘটনায় ঘটনা ঘটছে,দুর্ঘটনাজনিত কারনে অনেকের জীবন প্রদ্বীপ নিভে যাচ্ছে,সন্তান হচ্ছে বাবা মা হারা,পিতা হচ্ছেন সন্তানহারা,স্ত্রী হচ্ছে স্বামীহারা, পরিবার হচ্ছেন অভিভাবক হারা,অনেকে সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ববরণ করে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে,ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই অঞ্চলের চলাচলকারী পরিবহন সমুহ,সড়কগুলো কারনে প্রতিদিন টায়ার পাম্পচার,ডাম্পার ভাঙা,সড়কের উপড় বা সড়কের পাশে নিচে পণ্য বা যাত্রীসহ গাড়ি উল্ঠে যাওয়া নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে,সড়কের কারনে এম্ব্যুলেন্স রোগী পরিবহনে রোগীরা আর বেশী অসুস্থ হয়ে পড়ছে, বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা ও দুর্ঘটনাজনিত রোগীদের বেশী ভোগান্তিতে পড়তে হয়

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রাইটস যশোরে এর প্রতিবেদনের তথ্যমতে গত বছর ২০১৭ সালে ৪১৯ টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটেছে যশোর বিভিন্ন সড়ক মহাসড়কে

এই অঞ্চলের সড়কগুলো বেহালদশার ফলে যশোরাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহনর চরম ভোগান্তিতে পড়েছে, সড়কের বেহালদশার কারনে ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনে বাড়তি ভাড়া গুন হচ্ছে, আর এর প্রভাব গিয়ে পড়ে পণ্যাদির উপড়,এর ফলে বাজারে পণ্য দাম বেড়ে যাচ্ছে,

সরেজমিনে সড়কের ছবি তুলতে গেলে কয়েকজন পথচারী ও ভ্যানচালক বলেন ভাই ছবি তুলে কোন লাভ নাই,প্রত্রিকায় দেওয়া পর্যন্ত শেষ, কোন কাজ হবে না, কতবার এই রাস্তা নিয়ে খবর ছাপা হয়েছে, কয় রাস্তা তো কোন কাজ হয়নি,আর কবে আল্লাহ জানে,সড়কগুলোর বেহালদশার জন্য এই অঞ্চলের মানুষের মধ্য চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে,
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) যশোর উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মেহেদী হাসান বলেন যশোর- কুষ্টিয়া মহাসড়কে কাজ শুরু হয়েছে,অন্য মহাসড়কের গুলোর কাজও শুরু অতিদ্রুত শুরু হবে এবং আগামী ১/২ মাসের মধ্যে যশোরের সকল মহাসড়কে কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা করেন,

বিশেজ্ঞরা মনে করেন সড়ক মহাসড়ক এমন বেহালদশার প্রধানত কারন দুর্নীতি,দুর্নীতিবাজ কর্মকতা ও কন্ট্রাক্টারদের যোগসাজোশে সড়ক সংস্কারে অতিনিম্ন মানের,ইট, বালি,যতসামান্য বিটুমিন ব্যবহার ফলে সামান্য বৃষ্টিতে সড়কগুলো অতিদ্রুত যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে, ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় জনসাধারণকে, তারা আরো বলেন সরকার যদি সড়ক সংস্কারে দুর্নীতি বন্ধে বিশেষ নজরদারী বাড়ায় এবং সারাদেশে সড়ক
সংস্কারে কাজ মনিটরিং করার জন্য শক্তিশালী টিম গঠন করে তাহলে হয়তো সড়ক মেরামতে দুর্নীতি কমবে,এবং সড়কগুলো দীর্ঘস্থায়ী হবে

ট্রাকমালিক আবু মুসা করিম বলেন সড়কের কারনে প্রতিমাসে গাড়ির পিছনে বিপুল পরিমান টাকা গাড়ি মেরামতে চলে যাচ্ছে,সড়কের কারনে গাড়িতে এখন প্রতিমাসে ডেমারেজ গুনতে হচ্ছে,কিন্তুু সড়কে গাড়ি চালানো জন্য আমাদেরকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ টাকা সরকারকে ট্যাক্স দিতে হয়,

ঢাকা রয়েল কোচ এর ড্রাইভার আবু তালেব ক্ষোভের সাথে বলেন সড়কগুলোর যে অবস্থা তাতে প্রতিনিয়ন বিপদ মোকাবেলা করে গাড়ি চালাতে হয়,সড়কে কারনে একদিন গাড়ি চালালে দুদিন অসুস্থ থাকতে হয়,তিনি অতিদূর সড়ক সংস্কার করার জন্য সরকারে কাছে দাবী করেন,

LEAVE A REPLY