‘আদালত অবমাননা হলেও করার কিছু নেই, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে’মির্জা ফখরুল

0
52

ঢাকা প্রতিনিধি:আদালত অবমাননা হলেও করার কিছু নেই এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সকালে নয়াপল্টনের ভাষানী মিলনায়তনে খালেদা জিয়াকে নিয়ে রচিত রণধ্বনি সিডি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, মাসের পর মাস দেশনেত্রীকে সম্পূর্ণ বেআইনী ও অন্যায়ভাবে আটক রাখা হয়েছে। জানি না একথা বললে আদালত অবমাননা হবে কি না। তবে অবমাননা হলেও করার কিছু নেই। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।
আজকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার সময় শেষ হয়ে গেছে। এখন সময় এসেছে রাস্তায় নামার। সময় এসেছে রুখে দাঁড়াবার, প্রতিহত করার। আমরা বারবার বলেছি আলোচনা করুন, নির্বাচন নিয়ে কথা বলুন। কিন্তু তারা কথায় কথায় বলে সংবিধান অনুযায়ী সব কিছু হবে। আরে সংবিধান তো আপনারা কেটে কুটে শেষ করে ফেলেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম। যে স্বপ্ন ও চেতনা নিয়ে যুদ্ধ করেছিলাম সেটা আজ ধুলিসাৎ করে ফেলেছে। আজকে ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে বাবা আটক হয়। যেখানে মৃত্যুর খবরে মানুষের হৃদয় আলোড়িত করে না। মানুষকে গুলি করে ফেলে রাখা হয়। সরকার তাতে উৎসাহিত করে। এখন মানুষের সুকুমার বিত্তিগুলো মরে গেছে। এমন সময় মাসুদ অরুন সকলকে অনুপ্রেরিত করার মতো গান লিখেছে। এই জাতীয় কাজগুলোকে আমাদের উৎসাহিত করা উচিৎ।
তিনি বলেন, আল্লাহর কাছে দোয়া করি যে ভয়াবহ দানব বাংলাদেশের উপর চেপে বসেছে। তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যেন গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে পারি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। আমরা আয়ুব খান, এরশাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। কিন্তু এতো খারাপ অবস্থা ছিল না। ভয়াবহ খারাপ অবস্থা চলছে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দেশনেত্রীর উপরে সরকার যে অত্যাচার করছে তা ইতিপূর্বে কারো উপর করা হয়নি। এই অবস্থায় বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে হলে সকলকে এক জায়গায় দাঁড়াতে হবে।
মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও রণধ্বনি সিডির শিল্পী মাসুদ অরুনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সী বজলুল বাশির আঞ্জু, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

LEAVE A REPLY