‘আমি রাজাকার’ বুকে নিয়ে আন্দোলনকারীরা কুলাঙ্গার: নুজহাত চৌধুরী

0
70

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: যারা ‘আমি রাজাকার’ লেখা বুকে নিয়ে কোটা সংস্কারের আন্দোলনে দাঁড়িয়েছেন তাদের ‘কুলাঙ্গার’ আখ্যায়িত করেছেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ডা. নুজহাত চৌধু


শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি সমাবেশে বক্তব্যে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

শহীদ বুদ্ধিজীবী আলীম চৌধুরীর মেয়ে নুজহাত বলেন, “কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে ছোট ছোট ছেলেদের বুকে ‘আমি রাজাকার’ লেখা দেখে জীবনে প্রথম মনে হয়েছে ’৪৭ বছর আগে বাবা মরে গিয়ে বেঁচেছেন।”

‘আমি রাজাকার’ লেখা নিয়ে আন্দোলন করে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যারা কোটা নিয়ে আন্দোলন করেছ তাদের বলছি, তোমরা সংস্কার চেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বাতিল করেছেন।
“কোটার জন্য নিজেদের রাজাকার বলতে তোমাদের বাধল না? ভবিষ্যতে যদি কখনও মুক্তিযুদ্ধ হয় তাহলে তোমরাই প্রথমে রাজাকার হবে। যারা ‘আমি রাজাকার’ লিখেছে তারা কুলাঙ্গার।”

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতির সংস্কার দাবিতে গত মাসে দেশজুড়ে বিক্ষোভ-সড়ক অবরোধ হয়। এর মধ্যে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সংসদে বলেন, “মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা সুযোগ পাবে না, তো কি রাজাকারের বাচ্চারা সুযোগ পাবে?”

এরপর কেউ কেউ ‘আমি রাজাকার’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে এবং বুকে ‘আমি রাজাকার’ লিখে দাঁড়িয়ে যান কর্মসূচিতে, যা নিয়ে ফেইসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নুজহাত চৌধুরী বলেন, “মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোনো কোটার প্রয়োজন নেই। আমার বাবার কোনো সার্টিফিকেট ছিল না। কোনো কোটা ছাড়াই ২০তম বিসিএসে আমি দ্বিতীয় হয়েছিলাম। পুরো দেশটাই আমাদের।”

এদেশ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী ২১ বছরে মুক্তিযোদ্ধাদের মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা নিজের পায়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

নুজহাত বলেন, “মুক্তিযোদ্ধারা যদি তাদের রক্তে দেশ স্বাধীন না করতেন তাহলে এখন যারা বিসিএস ক্যাডার হচ্ছেন, বড় চাকরি করছেন তাদের পশ্চিম পাকিস্তানের কেরানি হয়েই থাকতে হত।”

সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, “রাজনৈতিক অপশক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে কিছু বিভ্রান্ত শহুরে ছাত্র যারা কর্মজীবনে প্রবেশ করেননি তারা কোটা নিয়ে আন্দোলন করেছেন।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: যারা ‘আমি রাজাকার’ লেখা বুকে নিয়ে কোটা সংস্কারের আন্দোলনে দাঁড়িয়েছেন তাদের ‘কুলাঙ্গার’ আখ্যায়িত করেছেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ডা. নুজহাত চৌধু

শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি সমাবেশে বক্তব্যে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

শহীদ বুদ্ধিজীবী আলীম চৌধুরীর মেয়ে নুজহাত বলেন, “কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে ছোট ছোট ছেলেদের বুকে ‘আমি রাজাকার’ লেখা দেখে জীবনে প্রথম মনে হয়েছে ’৪৭ বছর আগে বাবা মরে গিয়ে বেঁচেছেন।”

‘আমি রাজাকার’ লেখা নিয়ে আন্দোলন করে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যারা কোটা নিয়ে আন্দোলন করেছ তাদের বলছি, তোমরা সংস্কার চেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বাতিল করেছেন।
“কোটার জন্য নিজেদের রাজাকার বলতে তোমাদের বাধল না? ভবিষ্যতে যদি কখনও মুক্তিযুদ্ধ হয় তাহলে তোমরাই প্রথমে রাজাকার হবে। যারা ‘আমি রাজাকার’ লিখেছে তারা কুলাঙ্গার।”

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতির সংস্কার দাবিতে গত মাসে দেশজুড়ে বিক্ষোভ-সড়ক অবরোধ হয়। এর মধ্যে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সংসদে বলেন, “মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা সুযোগ পাবে না, তো কি রাজাকারের বাচ্চারা সুযোগ পাবে?”

এরপর কেউ কেউ ‘আমি রাজাকার’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে এবং বুকে ‘আমি রাজাকার’ লিখে দাঁড়িয়ে যান কর্মসূচিতে, যা নিয়ে ফেইসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নুজহাত চৌধুরী বলেন, “মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোনো কোটার প্রয়োজন নেই। আমার বাবার কোনো সার্টিফিকেট ছিল না। কোনো কোটা ছাড়াই ২০তম বিসিএসে আমি দ্বিতীয় হয়েছিলাম। পুরো দেশটাই আমাদের।”

এদেশ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী ২১ বছরে মুক্তিযোদ্ধাদের মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা নিজের পায়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

নুজহাত বলেন, “মুক্তিযোদ্ধারা যদি তাদের রক্তে দেশ স্বাধীন না করতেন তাহলে এখন যারা বিসিএস ক্যাডার হচ্ছেন, বড় চাকরি করছেন তাদের পশ্চিম পাকিস্তানের কেরানি হয়েই থাকতে হত।”

সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, “রাজনৈতিক অপশক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে কিছু বিভ্রান্ত শহুরে ছাত্র যারা কর্মজীবনে প্রবেশ করেননি তারা কোটা নিয়ে আন্দোলন করেছেন।
“তারা অপরাজনীতি, বিভ্রান্তির শিকার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী আন্দোলন করেছে। মুক্তিযুদ্ধ, দেশ ও বঙ্গবন্ধুর সাথে একাত্তরে রাজাকাররা যা করেছে, কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে স্বাধীন দেশেও তা করা হয়েছে। আমরা সব জানি, স্বাধীনতা বিরোধীদের যোগসাজশে লন্ডনে বসে তারেক রহমান আন্দোলন চালিয়ে নিতে বলেছেন।”

মুক্তিযোদ্ধা ও চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে নওফেল বলেন, যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে হামলা করেছে সেসব ছাত্রের চেয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা কম মেধাবী নয়।

মুক্তিযুদ্ধ, দেশ ও বঙ্গবন্ধুর সাথে একাত্তরে রাজাকাররা যা করেছে, কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে স্বাধীন দেশেও তা করা হয়েছে। আমরা সব জানি, স্বাধীনতা বিরোধীদের যোগসাজশে লন্ডনে বসে তারেক রহমান আন্দোলন চালিয়ে নিতে বলেছেন।”

মুক্তিযোদ্ধা ও চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে নওফেল বলেন, যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে হামলা করেছে সেসব ছাত্রের চেয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা কম মেধাবী নয়।

LEAVE A REPLY