ঈশ্বরদীর রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও ভাড়ইমারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিম উৎসব অনুষ্ঠিত

0
124

সেলিম আহমেদ, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি ॥ ২৪ জানুয়ারি ২০১৮ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও ভাড়ইমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ বুধবার দুপুরে ডিম উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশুদের প্রাণিজ আমিষ, ডিমের চাহিদা পূরণ ও পুষ্টির যোগান দিতেই মূলত ডিম উৎসবের আয়োজন করা হয়। বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক এসএম রবিউল ইসলামসহ স্থানীয় পোল্ট্রি চাষিরা এই দুই বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৩’শ জন শিক্ষাথীকে একটি করে মুরগীর বয়েল ডিম প্রদান করেন। ডিম উৎসবের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সুগারক্রপ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আমজাদ হোসেন।

রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব সাইদুল ইসলাম মান্না সরদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঈশ্বরদী উপজেলা চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান মিন্টু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগম, ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ মোস্তফা জামান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা, রোজ এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ আজিজ ও খায়রুল গ্রুপ অব ইন্ডাস্টিজ এর স্বত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব মোঃ খায়রুল ইসলাম। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির কেন্দ্রিয় সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ, জাতীয় কৃষক আব্দুল জলিল কিতাব মন্ডল, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক বেলি বেগম, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক জাহিদুল ইসলাম (গাজার জাহিদ), বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক এসএম রবিউল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ও পোল্ট্রি খামারী আবু তালেব। এর আগে রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও ভাড়ইমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৩’শ জন শিক্ষাথীকে একটি করে মুরগীর বয়েল ডিম প্রদান করা হয়।

বক্তারা বলেন, প্রতিটি শিশুকে প্রতিদিন দুইটি করে ডিম খেতে হবে। ডিম শরীরের পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে। শিশুদের বুদ্ধির বিকাশে ডিমের বিকল্প নেই। ডিম, দুধ, মাছ, মাংস এসকল আমিষ জাতীয় খাবার শিশুর দেহ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা অর্থের অভাবে নিজেদের ছেলে-মেয়েদের নিয়মিত ডিম খাওয়াতে পারেনা। ঈশ্বরদীর ভাড়ইমারীর স্থানীয় পোল্ট্রি খামারিরা স্কুলের শিক্ষার্থীদের সিদ্ধ ডিম খাইয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সামর্থবানেরা এভাবে প্রতিটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ডিম খাওয়ালে কিছুটা হলেও তাদের বাড়তি পুষ্টির ব্যবস্থা হবে এবং পুষ্টিতে দেশ এগিয়ে যাবে।

LEAVE A REPLY