এমপি লিটন হত্যা মামলা: স্ত্রীসহ দুইজনের সাক্ষ্য গ্রহণ

0
35

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় আদালতে আজ মঙ্গলবার বিকেলে নিহতের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতিসহ দু’জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

গাইবান্ধার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রাশেদা সুলতানা সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আদালতে আসামীর কাঠগড়ায় ছিলেন এমপি লিটন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান আসামী সাবেক এমপি ডাঃ আব্দুল কাদের খান। এর আগে তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

গাইবান্ধার পাবলিক প্রসিকিউটর শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন তার বাড়ির ড্রয়িং রুমে অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত রুমে ঢুকে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তিনি মারা যান। পরে তার ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের পর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন জাতীয় পাটি নেতা ওই এলাকার সাবেক এমপি অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ডাঃ আব্দুল কাদের খান। ওই চার্জশিটে আব্দুল কাদের খানসহ আটজনকে আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পুলিশ কাদের খানসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করতে পারলেও অপর আসামি চন্দন কুমার রায়কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। তিনি ভারতে পালিয়ে আছেন।

আদালতে নিহতের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতিসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করার কথা থাকলেও সাক্ষীদের মধ্যে আব্দুল কাফি বিদেশে অবস্থান করায় ও বেনজির আহমেদ লিংকন মারা যাওয়ায় নিহত এমপি লিটনের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি ও প্রতিবেশী আল ইবনে রাজ্জাক ওরফে নয়নের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীরা হত্যাকাণ্ড পরবর্তী পরিস্থিতিসহ গুরুতর আহত এমপি লিটনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ঘটনার বর্ণনা দেন। এই দুইজনসহ চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।

LEAVE A REPLY