খুলনার  নগরপিতা নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক

0
22

 

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনা সিটি করপোরেশনের নগরপিতা নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক। বেসরকারি ফলে, বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জুর চেয়ে ৬৭ হাজার ৯৪৬ বেশি ভোট বেশি পেয়ে নিশ্চিত করলেন মেয়র পদ।

২৮৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক, নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট এবং বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৯৫৬ ভোট। মোট ২৮৯টি কেন্দ্র হলেও অনিয়মের অভিযোগে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে তিনটি কেন্দ্রে।

প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকের নির্বাচনে, মাত্র দুটিতে ইভিএম ব্যবহার হয়েছে। ৪৫ দশমিক ছয় পাঁচ বর্গ কিলোমিটারের খুলনা সিটি করপোরেশনে, দলীয় প্রতীকে এবারই প্রথম নির্বাচন। এবারে নগর পিতা হওয়ার লড়াইয়ে অংশ নেন পাঁচজন।

ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেছেন, ‘২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে অনিয়মের কারণে স্থগিত করা হয়েছে। সেগুলো হলো- ইকবাল নগর বালিকা বিদ্যালয়, লবনছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং হাজী মালেক সালেহিয়া দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা। বাকি ২৮৬ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ৩৫ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিলাম। আমাদের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ছিল। সবার থেকে আমরা টেলিফোনে এবং অন্যভাবে যে তথ্যগুলো পেয়েছে তাতে ২৮৬টি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে।’

তিনটি কেন্দ্র ছাড়া আর কোথাও কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করে ইসি সচিব।

তবে বিএনপির পক্ষ থেকে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে একচেটিয়া সিল মারার জন্য খুলনা পুলিশ কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দাবি, নির্বাচন নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে বিএনপি।

এরআগে কড়া নিরাপত্তায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে নগরীর ২৮৯ টি কেন্দ্রে শুরু হয় ভোট গ্রহণ। এ সময় লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে একে একে ভোট দিতে থাকেন নগরবাসী। ভোট দিতে আসেন বয়োবৃদ্ধরা, আসেন তরুণ ভোটাররাও।

নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ ৫টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী তাদের নিজ নিজ দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে লড়াই করেছেন। এছাড়া, ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৮ জন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। খুলনা সিটি নির্বাচনে ভোটার চার লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন।

LEAVE A REPLY