নিলরুবা খানম সুমির লেখা ”পরকিয়া ও তার প্রতিকার নিয়ে সামাজিক সচেতনতা”

0
184

     ”পরকিয়া ও তার প্রতিকার নিয়ে সামাজিক সচেতনতা”

                                             নিলরুবা খানম সুমি 

আজ আমি যে বিষয় টার উপর আলোকপাত করতে যাচ্ছি সেটা হচ্ছে পরকিয়া। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়, এই “পরকিয়া “।আমাদের এই সচেতন সমাজ অনেক টা অচেতন ভাবে এই বিষয় টার সাথে জরিয়ে যাচ্ছে যে। এক্ষুনি যদি এর যথাযথ প্রতিকার করা না হয়। তাহললে আগামীতে সামাজিক অবক্ষয় মারাত্মক আকার ধারন করবে।
তার আগে আমাদের নির্নয় করতে হয়ে কেন মানুষ পরকিয়ায় আক্রান্ত হয়। আমার মতে তার প্রথম ও প্রধান কারন হচ্ছে, মতের অমিল, ভুল বিয়ে এবং অতি আধুনিকতা লোভ ও মানষিক অস্থিরতা। মানুষ যখন এগুলো দ্বারা আক্রান্ত হয়। তখন সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এখনো আমাদের সমাজের অধিকাংশ বাবা মা, তারা তাদের সন্তান দের বিয়ের ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত চাপিয়ে দেন। সন্তান সে বিয়ে মেনে নিলেও মন থেকে গ্রহণ করতে পারে না।ফলশ্রুতিতে পারিবারিক অশান্তি। তার পর এক্টা সময় সে পরকিয়ায় লিপ্ত হয়। ২য় কেউ কেউ অতি আধুনিকতার নাম করে এতে লিপ্ত হচ্ছে। কারন সে পরিবার থেকে সামাজিক মুল্যবোধ এর সঠিক শিক্ষা পাচ্ছে না।
৩য় হচ্ছে লোভ, কিছু ছেলে মেয়ে তাদের সামাজিক অবস্থান নিজের চাহিদা অনুযায়ী মেটাতে পারে না। তখন তারা এই পরকিয়া নামক ফাদ টাকে বেচে নেয়।

৪র্থ হচ্ছে মানষিক অস্থিরতা : বিবাহিত জীবনে অনেকেই হ্যাজবেন্ড এর কাছ থেকে সঠিক মুল্যায়ন পায় না। হ্যাজবেন্ড সময় দেয় না, তখন ভিষন একাকিত্ব থেকে ও সে এই পরকিয়ায় জরিয়ে পড়ছে। আর এই পরকিয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে পরিবার ও সমাজ কে।
পরকিয়া হচ্ছে বিবাহিত নারী পুরুষ এর অনৈতিক সম্পর্ক। তখন সে তার ছেলে মেয়েকে স্ত্রী, কাউকে সঠিক সময় দিতে পারে, চাকুরী কিংবা ব্যবসা তাতেও মন দিতে পারে না। আস্তে আস্তে সে সম্পর্কে থেকে ও একা হয়ে পরে। তাই এ থেকে উত্তরণের জন্য শুধু স্যোস্যাল সামাজিক মাধ্যম ও আকাশ সংস্কৃতিতে নিজেদের আবদ্ধ না করে। পারিবারিক ও আত্মিক সম্পর্ক গুলোর উপর জোর দিতে হবে।

তাছাড়া আজ কাল আমরা ধর্মীয় শিক্ষা ও মুল্যবোধ থেকে দুরে ছিটকে পড়ছি। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত একটা মানুষ ভুল সম্পর্কে কখনো জড়াতে পারে না।তাই পরিবারের প্রতিটা সদস্য কে সে বিষয়ে সঠিক জ্ঞান দিতে হবে।
লেখক পরিচিতি : নিলরুবা খানম সুমির জন্মস্থান মৌলভীবাজার। লেখক আলোকিত নারী ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ।নারীদের মানসিক বিকাশে জন্য উনি কাজ করেন।
যে কথা লেখক বলে নাই : এই মুহুর্তে ভাবনায় যা এলো তাই লিখে দিলাম।

LEAVE A REPLY