নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড়ে মা-মেয়েসহ নিহত ৭

0
21

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার ও জলঢাকা উপজেলায় কালবৈশাখীর ঝড়ে মা-মেয়েসহ সাত জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। বৃহস্পতিবার রাতে এ কাল বৈশাখী হয়।
এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে নীলফামারীর ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। ২০ মিনিট স্থায়ী ওই ঝড়ের তাণ্ডবে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে, উপড়ে গেছে গাছপালা। এ সময় ঘর ও গাছ চাপা পড়ে ডোমার উপজেলায় চারজন ও জলঢাকা উপজেলায় তিন জন নিহত এবং অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তিন জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন, উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের খাচিমাথা গ্রামের আলম হোসেনের স্ত্রী সুমাইয়া বেগম (৩০) ও তার তিন মাসের মেয়ে, মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব শিমুলবাড়ি মমিনুর রহমানের ছেলে আশিকুর রহমান (২২)।
ডোমার থানার উপ-পরিদর্শক আরমান আলী উপজেলার চার জন নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- উপজেলার কেতকীবাড়ি ইউনিয়নের বোতলগঞ্জ গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে আবদার আলী (৫০), ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের খানকাশরীফ গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে জামিউল ইসলাম (১২), একই ইউনিয়নের শাখারীপাড়া গ্রামের শুকারু মামুদের স্ত্রী খদেজা বেগম (৫৫), গোমনাতি ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজার গ্রামের ধৌলু মামুদের ছেলে আব্দুল গণি (৪০)।
এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক আবুল কাশেম আযাদ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নীলফামারীর তিন উপজেলা জলঢাকা, ডোমার ও ডিমলায় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধান, পাট, ভুট্টা ও বাদামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাঠপর্যায়ে আমাদের কর্মকর্তাগণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তালিকা প্রণয়ন শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

LEAVE A REPLY