সিআরপি থেকে ডিএফআইডির বিলাসবহুল ১১ গাড়ি জব্দ

0
28

দৈনিক আলাপ ওয়েবডেস্ক:‌ শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারের দায়ে সাভারে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র সিআরপিতে অভিযান চালিয়ে বুধবার বিলাসবহুল ১১টি গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার বিকেলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একটি দল অভিযান চালিয়ে গাড়িগুলো জব্দ করে। জব্দকৃত গাড়ির আনুমানিক মূল্য ৩০ কোটি টাকা।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. সহিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে অভিযানে নেতৃত্ব দেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী মুহম্মদ জিয়া উদ্দিন।
যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ডিএফআইডি) এর নামে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা ১৯টি গাড়ি দুই বছর আগে সিআরপির গ্যারেজে রাখা হয়। এর মধ্যে দুই দফায় ৮টি গাড়ি সরিয়ে নেয়া হলেও অবশিষ্ট গাড়িগুলো শুল্ক ফাঁকি দেয়ার উদ্দেশ্যে রাখা হয়।
পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র সিআরপির বরাতে জানা যায়, অনেক আগে যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ডিএফআইডি) সিআরপির বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থায়ন করেছিল। সেই সুবাদে ২০১৬ সালের ২৭ জুন মাত্র ৬ মাসের জন্য ডিএফআইডি গাড়িগুলো রেখে যায়। তারপর থেকে ডিএফআইডি দুই দফায় ৮টি গাড়ি সরিয়ে নিলেও বাকিগুলো নেয়নি। পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র সিআরপির হেড অব সাপোর্ট সার্ভিস শহিদুর রহমান সূত্রে জানা যায়, গাড়িগুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য বহুবার সিআরপি থেকে ডিএফআইডিকে মেইল দিলেও ডিএফআইডি কোনও সাড়া দেয়নি।
কাস্টমস আইন অনুসারে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে কেউ কোনও গাড়ি ব্যবহার করলে পরবর্তীতে ঐ কর্মকর্তার পদবী পরিবর্তন হলে বা অন্য কোনও সংস্থায় যোগদান করলে পুরান কাস্টমস পাসবুক জমা দিয়ে নতুন করে পাসবুক গ্রহণ করতে হয়। সে ক্ষেত্রে পুরান গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করা যাবে না। কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এর ০৭ ধারা অনুসারে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা গাড়ির বিষয়ে এনবিআরকে জানাতে হয়। গাড়ি হাত বদল করলে শুল্ক করাদি সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ বিষয়ে তদন্ত কাজ পরিচালনা করছে।

LEAVE A REPLY