হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিয়ে কবি মিনু গরেট্টী কোড়াইয়া (বৃষ্টিরানী) এর কবিতা”মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব”

0
256

      মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব

                                  মিনু গরেট্টী কোড়াইয়া (বৃষ্টিরানী)

==========
আজও ক্রোধে গর্জে উঠে বাংলার বুক
স্রোতে বহে পদ্মা মেঘনায় হারানো শোক
তোমার রক্তে রইল লেখা বাংলার নাম
আজও কাঁদে আবহমান বাংলার লোক ।।

রক্তমাখা আদল দেখি মানচিত্রে
তোমার দেখা স্বপ্ন আজও চোখে ভাসে
বাঁচতে ওরা দেয়নি তোমায় এই মাটিতে
সকল পিতার মুখে তবু মুখটি হাসে ।।

সেদিন তোমার বুলেট বিদ্ধ ঝাঝড়া বুকে
ফুটেছিলো বাংলা ভাষা আর্তনাদে
ঘরে ঘরে সকল মায়ে, সকল ভাইয়ে
মুজিব তোমার নামটি বলে আজো কাঁদে ।।

এই মাটিতে রক্ত তোমার যায়নি বৃথা
বীরের কণ্ঠে আজো বাজে দীপ্ত শ্লোগান
যারাই তোমার নিয়েছিল জীবন কেড়ে
মৃত্যু তাদের করবে তাড়া, হারাবে প্রাণ ।।

লাল পতাকা আজো ওড়ে আকাশ জুড়ে
তারই বুকের মধ্যে তোমার রক্ত ছবি
বনের পাখির কন্ঠে বাজে তোমার ব্যাথা
তোমার নামে কাব্যকথা বোনে কবি।।

আর্তনাদে কেঁপেছিল ঘরের দেয়াল
স্তব্ধ বাতাস গুমড়েছিল বুকের মাঝে
যে রক্ত ঝরলো সেদিন মাটির পরে
সেই রক্তে সূর্য সাজে সকাল সাঁঝে ।।

তুলেছিলে কণ্ঠে তোমার তুর্য্যধ্বনি,
আশার বাণী শুনিয়েছিলে অবলীলায়
তুমি জাতীর মহান পিতা যুগে যুগে
এমন মানব হোক জন্ম এই বাংলায়।।

ছিল তোমার তেজস্ব রক্ত শিরায় শিরায়
প্রতিধ্বনি বেজেছিল বাতাস জুড়ে
অস্ত্র হাতে আসলো ছুটে কিশোর যুবা
তোমার ডাকে ভয় ভাবনা গেল দূরে।।

দেশের মায়া জাগিয়েছিলে যাদের প্রাণে
যুদ্ধে নেমে করলো তারা বীরের লড়াই
তোমার কথা রইবে সবার হৃদয় পটে
তোমার নামে লাল সুবজের কেতন ওড়াই।।

সকল প্রাণে বাজে তোমার শোকগাঁথা
স্বদেশ মাতার যোগ্য তুমি, ধন্য তুমি,
মরণ পরেও রইলে আজও মৃত্যুজয়ী
তোমার ত্যাগেই গর্বিত এই মাতৃভূমি।।

লেখক পরিচিতিঃ মিনু গরেট্টী কোড়াইয়া ১৯৭১ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম থানার ভবানীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি ছোটবেলা থেকেই শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা শুরু করেন। স্কুল জীবনে তার লেখা অনেক ছড়া, কবিতা, ছোটগল্প সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রতিবেশি ও অন্যান্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। বাণীদিপ্তী ও শান্তির বাণীর তিনি একজন গীতিকারও ছিলেন। অতিমাত্রায় সাংসারিক ব্যস্ততা এবং অনেকটা অভিমানেই তিনি প্রায় বিশ বছর যাবৎ লেখালেখির জগত থেকে দূরে সরে ছিলেন। অবশেষে ২০ বছর পর ২০১৫ সাল থেকে তিনি কলম হাতে তুলে নেন এবং বৃষ্টি রানী ছদ্মনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পুনরায় কবিতা লেখা শুরু করেন। ডিসেম্বর ২০১৬ এ প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ “বৃষ্টিকাব্য ১” । ২০১৭ সালের ২১শে বইমেলায় শিশু কিশোরদের জন্য তার লেখা ছড়ার বই “বৃষ্টির ছড়া” প্রকাশিত হয়। এবারের কাব্যগ্রন্থ “বৃষ্টিকাব্য ২” এ মানুষের মনের আবেগ, অনুভূতি, প্রেম, ভালবাসা, বিরহ, নির্যাজিত নারীদের কথা, সমসাময়িক সামাজিক বাস্তবতা ইত্যাদি বিষয় সহজ ভাষা ও ছন্দে ফুটে উঠেছে। এ বছর তার বৃষ্টিকাব্য (দুই) নামে নতুন কাব্যগ্রন্থ ব

LEAVE A REPLY