হ্যান্ডিলিং শ্রমিক সংঘর্ষে বেনাপোলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে ২ সংবাদিক সহ আহত ৪

0
142

মীর ফারুক শার্শা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের এক নম্বর স্থল বন্দর বেনাপোল হ্যান্ডিলিং শ্রমিক ইউনিয়নে বন্দর দখলকে কেন্দ্র করে বিদ্যামান এমপি ও মেয়র গ্রুপের শ্রমিকের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, বোমা বিস্ফোরণ, অফিস ভাংচুরের মাধ্যমে বেনাপোল চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২ দিনের শ্রমিক সংঘর্ষে বেনাপোল অচল অবস্থা দেখা দিয়েছে সকালে দুই গ্রুপে সংঘর্ষে ইন্ডিপেন্টডেন্ট জেলা প্রতিনিধি জিয়াউল হক ও ক্যামেরাম্যান শরিফ ও দুই হ্যান্ডিলিং শ্রমিক আহত হয়েছে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শ্রমিক সংঘর্ষে বন্দর এলাকায় টান টান উত্তোজনা বিরাজ করছে। শ্রমিকরা উপজেলা আওয়ামামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান এর বাড়ীতে বোমা হামলা করে।

ক্ষমতাশীল দলের এমপি আলহাজ¦ শেখ আফিল উদ্দীন ও বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম (লিটন) দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল স্থল বন্দর হ্যান্ডিলিং শ্রমিকদের দুটি গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করতো। গত ডিসেম্বর বন্দরে ঠিকাদারীর কাজ পেয়েছেন এমপির পক্ষের লোকজন কিন্তু মেয়র পক্ষে লোকজন কাজ চালিয়ে আসছিলো। মঙ্গলবার সকাল ১০.০০ টায় দিকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হ্যান্ডিলিং শ্রমিকের এমপি গ্রুপ বন্দর দখল করতে যায়। তারা মেয়র গ্রুপে অফিস ভাংচুর করে মেয়র পক্ষের শ্রমিকদের বন্দর থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরে মেয়র পক্ষে শ্রমিকরা সংবদ্ধভাবে বন্দর দখল করতে আসলে উভয় গ্রুপের ভেতরে সংঘর্ষ বাঁধে।

বেনাপোল বন্দরে ৯২৫নং হ্যান্ডিলিং শ্রমিক ইউনিয়নে সাধারণ সম্পাদক (মেয়র গ্রুপ) কমিশনার রাসেদ আলী জানান, ড্রপ কমিনিকেশন নামে ঠিকাদার বন্দরে ঠিকাদারের দায়িত্ব পাওয়ার পর শ্রমিকদের ইউনিয় দখল করার চেষ্ঠা করে আসছে। সকালে তারা তাদের লোকজন শ্রমিক ইউনিয়ন অফিস দখলে নেয়।
বন্দরে ৮৯১ নং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি (এমপি গ্রুপ) কলিমদ্দি কলি জানান, ৯২৫ শ্রমিক ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকদের মজুরী কিছু বহিরাগতদের ভাগ দিয়ে আসছিল। ফলে প্রকৃত মজুরী থেকে সাধারণ শ্রমিকরা বঞ্চিত হচ্ছিল। তাই সাধারণ শ্রমিকরা শ্রমিক অফিস দখল করে।

বেনাপোল অফিসার ইনচার্জ অপূর্ব হাসান বলেন, বেতন পাওয়া না পাওয়া নিয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রতি শ্রমিকরা অসন্তোষ ছিলো। সকালে উভয় শ্রমিক ইউনিয়ন মিছিল বের করলে এক পর্যায়ে উভয় শ্রমিকদের মধ্যে উত্তোজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের হস্তক্ষেপে উত্তোজনা প্রশমিত হয়েছে। বন্দরে অতিরিক্ত পুলিশ সতর্ক অবস্থায় আছে। যাতে আর কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে।

LEAVE A REPLY